২০১১ সাল থেকে মডেল মাদ্রাসা ঘোষণার পর দ্রূতগতিতে এগিয়ে চলছে আল আমিন বারীয়া মাদ্রাসা। ২০১৬ খ্রিস্টাব্দে কামিল পাঠদানের অনুমতি লাভের পর ২০২১ সালে অধুভক্তি লাভ করেছে ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয় হতে। এখন আমরা এমপিও ভুক্তির অপেক্ষায় আছি। এটিতো একাডেমিক সফলতা। কিন্তু সার্বিক উন্নতির জন্য বাস্তবায়িত ও ভবিষ্যত কিছু পরিকল্পনা রয়েছে। তাহলো-
১. মহিলা ক্যাম্পাস স্থাপন।
২. আরবি ও ইংলিশ ল্যাঙ্গুইজ ক্লাব চালু।
৩. আরবি ভাষা ও ইংরেজি ভাষার জন্য কোর্স চালু করা । বর্তমানে আরবি ভাষা কোর্স চালু আছে।
৪. "আল বারী" দেয়ালিকা ম্যাগাজিন প্রকাশ করা।
৫. সকল শিক্ষার্থীকে অন লাইনের আওতায় এনে what's app. Imo ও zoom, এর মাধ্যমে সর্বাক্ষণিক কেয়ার নেয়া।
৬. কম্পিউটার কোর্স অব্যহত রাখা।
৭. শ্রেণি কক্ষ সম্প্রসারণের মাধ্যমে প্রতি ক্লাসে ১০০ জনে উন্নীত করা।
৮. কিরাত প্রশিক্ষণ কোর্স পৃথকভাবে ব্যবস্থা করা।
৯. নাহু সরফ পাঠদোনের জন্য শর্ট কোর্স চালু রাখা।
১০. প্রশাসনিক কার্যক্রম বিকেন্দ্রীকরণ করা।
১১. দ্রুত সেবার জন্য সিলেবাস কারিকুলাম, লোকেশন প্লান, প্রসপেক্টাস, পরিচয় পত্র, প্রত্যয়ন পত্র ইত্যাদি ওয়েভ সাইটে প্রকাশ করা।
১১. মিশর আল আযহার বিশ্ববিদ্যালয়, সৌদি আরব, আল মদিনা বিশ্ববিদ্যালয় , মক্কা উম্মুল কোরা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাথে আন্ত যোগাযোগ রক্ষা করে শিক্ষর্থী ভর্তির ব্যবস্থা করা।
১৩. ভরত,পাকিস্তান, কুয়েত,ইত্যাদি দেশের উপযোগী করে বৈশ্বিক দক্ষ জনশক্তি প্রস্তুত করা।
১৪. ওয়েব সাইটে ভর্তির ব্যবস্থা করা।
১৫. ফতোয়া বিভাগ গঠন করা।
১৬. প্রক্তন শিক্ষার্থীদের নিয়ে ফোরাম গঠন করা।
১৭. আল আমিন বারীয়া সাংস্কৃতিক ফোরামের মাধ্যমে নাত, গজল, ও হামদ প্রশিক্ষনণর ব্যবস্থা করা।
১৮. লেখক ও কলামিস্ট তৈরীর জন্য প্রশিক্ষণ ও প্রতিযোগিতার ব্যবস্থা করা।
১৯. লাইব্রেরীর কিতাবগুলোর অনলাইন ভিত্তিক তালিকা প্রকাশ করা।
২০. কামিল ক্লাসের জন্য অন্যান্য ক্লাসের ন্যায় পৃথক রিডিং রোমের ব্যবস্থা করা।